শেষবার ইমার সাথে যখন দেখা হলো তখন দুপুর। আকাশে জাজ্বল্যমান সূর্যটা অকৃপণ ভাবে আলো দিচ্ছে। শরীর ঝলসে যাওয়া উত্তাপে সে মার্চ করছিলো। তরতর করে ঘামছিলো সে। তবে কর্তব্যে সে অটল। রাজনৈতিক কোন এক নেত্রী আসবে। তাকে স্যালুট জানানো হবে। সেজন্য তার নেতৃত্বে একটি স্কাউট কোর প্রস্তুত আছে।
নেত্রী এলেন। তার পেছনের চ্যালারা ভীড় ঠেলে ঔদ্ধত্যের সাথে যাচ্ছেন মঞ্চের দিকে। বানরের গলায় মুক্তোর হার মানায় না। তবু স্কুল কর্তৃপক্ষ (নেতারা যাদের পোষা বিড়াল মনে করেন) তাদের গলায় মুক্তোর হার দিলেন। তারা স্বাভাবিক ভাবেই উশৃংখল। স্কাউটরা মূল্যায়িত হলো না। খুব বেশি কথা বলার সুযোগ পাইনি। আমাদের চলে আসতে হলো।
পুষ্প এখন সিলেটে। তার সাথে কথা হলো অনেক দিন আগে। দুর্দান্ত স্টুডেন্ট। জ্ঞানের পিপাসা এত বেশি,মনে হয় ওর কাছ থেকে আমারই অনেক শেখার আছে। ওর শেখার আকুলতা আমাকে মুগ্ধ করে রাখতো। তার বাবা ফজলুল হক। সহকারী প্রধান শিক্ষক। কড়া মেজাজের মানুষের মন সাধারণত খুব নরম হয়। তাঁর ক্ষেত্রে ব্যপারটা সত্য। জটিলতা খুব একটা বুঝেন বলে মনে হয় না। কিন্তু কেউ ভেজালে গেলেও তিনি আটকাতে যান, তেমন দেখিনি। একটু কড়া কথা বলার কারনে উনার শুভাকাঙ্ক্ষী কম। তবে তিনি মানুষ মন্দ নন। সহাস্যে কথা বলেন। আর পুষ্পের প্রতি তার এক আকাশ ভালবাসা।
জাকিয়া।

.jpg)