Congratulations! #name#,
Your Admission at Intelligent Educare has been confirmed.
Your ID: #ID#,
Batch: #Batch#
DoB: #DoB#.
Thank you for choosing us.
🟢 জুলাই গণঅভ্যুত্থান : অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩০টি প্রশ্ন-উত্তরঃ

🕰️সূচনা ও প্রথম ঘটনা

1. জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সূচনা কবে হয়?
— উত্তর: ১ জুলাই ২০২৪, ছাত্রদের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে।

2. প্রথম শহীদ কে ছিলেন?
— উত্তর: আবু সাঈদ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

3. প্রথম শহীদ হওয়ার তারিখ কত?
— উত্তর: ১৬ জুলাই ২০২৪।

4. আবু সাঈদকে কোথায় এবং কীভাবে হত্যা করা হয়?
— উত্তর: ১৬ জুলাই ২০২৪ তারিখে রংপুরে পুলিশের গুলিতে তিনি শহীদ হন। তার মৃত্যু দেশজুড়ে ছাত্র-জনতার ক্ষোভ ও আন্দোলনকে আরও ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে দেয়।

5. প্রথম গণহত্যার ঘটনা কোথায় ঘটে?
— উত্তর: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়, ১৬ জুলাই ২০২৪ রাতে।

6. প্রথম জাতীয় কর্মসূচি কী ছিল?
— উত্তর: ‘বাংলা ব্লকেড’।

7. প্রথম বড় মিছিলের নাম কী ছিল?
— উত্তর: ‘মার্চ ফর জাস্টিস’, ৩১ জুলাই ২০২৪।

8. প্রথম ঢাকামুখী লং মার্চ কবে হয়?
— উত্তর: ৫ আগস্ট ২০২৪।

---

আন্দোলন ও শহীদ সংখ্যা

9. July Massacre বা গণহত্যা কবে থেকে কবে পর্যন্ত চলে?
— উত্তর: ১৬ জুলাই – ৫ আগস্ট ২০২৪।

10. সরকারি হিসাবে নিহতের সংখ্যা কত?
— উত্তর: অন্তত ১০০০ জনের বেশি।

11. আন্তর্জাতিক হিসাবে নিহতের সংখ্যা কত?
— উত্তর: প্রায় ১০০০–১৫৮১ জন।

12. আহতের সংখ্যা কত ছিল?
— উত্তর: প্রায় ২০,০০০ জনের বেশি।

13. UNICEF-এর রিপোর্টে কতজন শিশুর মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে?
— উত্তর: অন্তত ৩২ জন শিশু।

14. গেজেটে কবে শহীদদের নাম প্রকাশিত হয় এবং কতজনের নাম ছিল?
— উত্তর: ১৫ জানুয়ারি ২০২৫; মোট ৮৩৪ জন।

---

গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি

15. ‘বাংলা ব্লকেড’ কী ছিল?
— উত্তর: কোটা সংস্কারের দাবিতে দেশব্যাপী অবরোধ কর্মসূচি।

16. ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কবে পালিত হয়?
— উত্তর: ৩১ জুলাই ২০২৪।

17. ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কবে হয়?
— উত্তর: ৫ আগস্ট ২০২৪।

18. ‘শহীদি মার্চ’ কবে পালিত হয়?
— উত্তর: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪।

---

স্মৃতি সংরক্ষণ ও জাদুঘর

19. জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
— উত্তর: আগস্ট ২০২৪-এর পরপরই, শহীদদের স্মৃতিকে সংরক্ষণ করতে।

20. প্রথমবার কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ স্মৃতি ভবন নির্মিত হয়?
— উত্তর: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

21. শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন কবে গঠিত হয়?
— উত্তর: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪।

22. শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রথম CEO কে ছিলেন?
— উত্তর: মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ।

23. জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরের কার্যক্রম কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়?
— উত্তর: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

---

রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রভাব

24. July Revolution-পরবর্তী সময়ে ক্ষমতা কে গ্রহণ করেন?
— উত্তর: ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

25. July Revolution-এর আনুষ্ঠানিক সাংবিধানিক স্বীকৃতি কোন ঘোষণার মাধ্যমে আসে?
— উত্তর: “July Declaration”।

26. July Declaration কবে প্রণীত হয়?
— উত্তর: ৫ আগস্ট ২০২৫ (পূর্বপ্রসঙ্গ ৫ আগস্ট ২০২৪ থেকে কার্যকর)।

27. ছাত্রনেতারা গঠিত রাজনৈতিক দলের নাম কী?
— উত্তর: National Citizens’ Party (NCP)।

28. NCP কখন গঠিত হয়?
— উত্তর: মার্চ ২০২৫।

---

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

29. প্রথমবার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কবে একে ‘July Revolution’ নামে অভিহিত করে?
— উত্তর: জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ থেকে আগস্ট ২০২৪-এর শুরুতে (BBC, The Guardian ইত্যাদি)।

30. Le Monde ও Time ম্যাগাজিন July Revolution নিয়ে কী মন্তব্য করে?
— উত্তর: বাংলাদেশ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে, তবে এটি একটি নতুন সূচনার সুযোগও তৈরি করেছে।
ইমা,জাকিয়া আর পুষ্প। তাদেরকে মনে পড়ে। বলদীঘাট স্কুলের দিনগুলোতে এই শিক্ষার্থীগুলো আমার প্রাণের আত্মীয় হয়ে উঠেছিল। এর মাঝে বেশ কবার স্কুলে গিয়েছি। দেখা হয়নি। 
শেষবার ইমার সাথে যখন দেখা হলো তখন দুপুর। আকাশে জাজ্বল্যমান সূর্যটা অকৃপণ ভাবে আলো দিচ্ছে। শরীর ঝলসে যাওয়া উত্তাপে সে মার্চ করছিলো। তরতর করে ঘামছিলো সে। তবে কর্তব্যে সে অটল। রাজনৈতিক কোন এক নেত্রী আসবে। তাকে স্যালুট জানানো হবে। সেজন্য তার নেতৃত্বে একটি স্কাউট কোর প্রস্তুত আছে। 
নেত্রী এলেন।  তার পেছনের চ্যালারা ভীড় ঠেলে ঔদ্ধত্যের সাথে যাচ্ছেন মঞ্চের দিকে। বানরের গলায়  মুক্তোর হার মানায় না। তবু স্কুল কর্তৃপক্ষ (নেতারা যাদের পোষা বিড়াল মনে করেন) তাদের গলায় মুক্তোর হার দিলেন। তারা স্বাভাবিক ভাবেই উশৃংখল।  স্কাউটরা মূল্যায়িত হলো না। খুব বেশি কথা বলার সুযোগ পাইনি। আমাদের চলে আসতে হলো।
পুষ্প এখন সিলেটে। তার সাথে কথা হলো অনেক দিন আগে। দুর্দান্ত স্টুডেন্ট।  জ্ঞানের পিপাসা এত বেশি,মনে হয় ওর কাছ থেকে আমারই অনেক শেখার আছে। ওর শেখার আকুলতা আমাকে মুগ্ধ করে রাখতো। তার বাবা ফজলুল হক। সহকারী প্রধান শিক্ষক।  কড়া মেজাজের মানুষের মন সাধারণত খুব নরম হয়। তাঁর ক্ষেত্রে ব্যপারটা সত্য। জটিলতা খুব একটা বুঝেন বলে মনে হয় না। কিন্তু কেউ ভেজালে গেলেও তিনি আটকাতে যান, তেমন দেখিনি। একটু কড়া কথা বলার কারনে উনার শুভাকাঙ্ক্ষী কম। তবে তিনি মানুষ মন্দ নন। সহাস্যে কথা বলেন। আর পুষ্পের প্রতি তার এক আকাশ ভালবাসা।

জাকিয়া।  




শহীদ ওসমান হাদী


আমায় ছিঁড়ে খাও হে শকুন

হে সীমান্তের শকুন

এক্ষুনি ছিঁড়ে খাও আমাকে

হে আটলান্টিকের ঈগল

শিগগির খুবলে খাও আমাকে

হে বৈকাল হ্রদের বাজ

আঁচড়ে কামড়ে ছিন্নভিন্ন করো আমাকে।

আমার রক্তরসে শুধু অসহায়ত্ব আর অভাব;

কাগজের কামলারা তারে আদর করে মুদ্রাস্ফীতি ডাকে।

ঋণের চাপে নীল হয়ে যাচ্ছে আমার অণুচক্রিকা

সংসার চালাতে অন্তরে হয় ইন্টারনাল ব্লিডিং

কী আশ্চর্য, তবুও আমি মরছি না!

ওদিকে দোজখের ভয়ে

আত্মহত্যা করবারও সাহস পাই না আমি!

খোদাকে বললাম, আমি মরতে চাই

তিনি বললেন, বেঁচে আছ কে বলল?

সহস্রাব্দ উন্নয়নের সাক্ষী হিসেবে

রাজা তোমাকে মমি করে রেখেছেন!

বাজারে দীর্ঘশ্বাস ফেললে নাকি

রাজ্যের ভীষণ বদনাম হয়

রাজারও মন খারাপ হয় খুব।

কোতোয়ালরা ফরমান জারি করেছে

আমাকে সারাক্ষণই হাসতে হবে!

নইলে দেশি কুকুর ও বিদেশি মাগুরকে

একবেলা ভালোমন্দ খাওয়ানো হবে আমার মাংস দিয়ে

নিত্যদিন ব্রয়লারের ভুঁড়ি নাকি ওদের ভাল্লাগে না!

অথবা আমাকে ভাগ দিয়ে বেচা হবে

মানুষেরও তো মানুষ খাওয়ার সাধ হতে পারে, তাই না?

ভাগ্যিস তা বিদেশি সুপারশপে বিকি হবে না

দেশি মানুষেরই তো হক বেশি আমাকে খাওয়ার!

এ দোজখই যখন নিয়তি

তখন আমি উদাম হয়ে ডাকছি

দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ মাংসাশী বিহগদের

হে ঈগল, চিল ও ভয়ংকর বাজেরা

হে সাম্রাজ্যবাদী সাহসী শকুনিরা

তোমরা এফ-থার্টি ফাইভের মতো

মিগ টুয়েন্টি নাইনের মতো—

দল বেঁধে হামলে পড়ো আমার বুকে

আমার রান, থান, চক্ষু, কলিজা

আজ সব তোমাদের গনিমতের মাল

দেশি শুয়োর খুবলে খাওয়ার আগেই

আমায় ইচ্ছেমতো ছিঁড়ে খাও তোমরা!

দোহাই, শুধু মস্তিষ্কটা খেয়ো না আমার

তা হলে শীঘ্রই দাস হয়ে যাবে তোমরাও।












এদেশের মানুষেরা, দেখে যাও বীর,
আবার জন্ম হলো সেই ভাষানীর!
শতাব্দী প্রতি আসে যুগসেরা সন্তান,
এসে গেছে আমাদের সাহসী সে ওসমান।
আকাশ বাতাসে যার সাহসের জয়গান,
যার ভয়ে বুক কাঁপে, ভীত থাকে শয়তান।
এসেছিলো আমাদের এই দেশে জিহাদী,
বাংলার মাটি ঘাসে আমাদের "এ হাদী।"
যার ডাকে ফুটে উঠে, "শেরে বাংলার হাঁক,"
বাংলায় জেগে উঠে বর্ণিল বৈশাখ।

তাকবীর শুনে যার, সাধ জাগে শাহাদাত,
ছলছল হয়ে পড়ে অশ্রুর ধারাপাত।
বিপ্লবী বীর এক, কন্ঠে ইনকিলাব, 
স্বাধীন বাংলাদেশ ছিল যার হৃদে খা'ব।


শকুনেরা  চিরকাল আমাদের পতাকায়,
খামচে ধরেছে হায়,আজ তা খুবলে খায়।
সাহসী এ বীর হাদী রাঙালো এ মহাকাল,
বুলেটের আঘাত তার ভেদেছে চাঁদ কপালে।

চারদিকে মাস্ক পড়া শকুনের দল আজ,
প্রতিবেশী প্রভূ সেজে লুটেছে এ স্বরাজ।
চারদিকে চর,তবু বটবৃক্ষের ন্যায়,
দাঁড়ালো এ হাদী ভাই।

নেতা,আম,চাঁদা,পাম, সামনে নির্বাচন,
এদেশে এখন আরো কোটি হাদী প্রয়োজন।।

হে প্রভূ,মালিকি ইয়াওমুদ্দীন,
আপনার এ বীর হাদী,আমাদের দিন।